নওয়াপাড়া পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে কে কত ভোট পেলেন

যশোর : যশোরের নওয়াপাড়া পৌরসভা নির্বাচনে ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করেছেন। নওয়াপাড়া পৌরসভার ৯টি সাধারণ আসন ও ৩টি সংরক্ষিত আসনে নির্বাচিত কাউন্সিলর হয়েছেন- পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে ৭ জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এদের মধ্যে ১হাজার ৪৪১ ভোট পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন টেবিল ল্যাম্প প্রতিকের প্রার্থী তানভির ইসলাম তানু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পানির বোতল প্রতিকের আব্দুল হামিদ মোল্যা পেয়েছেন ৬৪১ ভোট। এছাড়া আব্দুল গফ্ফার বিশ্বাস (পাঞ্জাবী প্রতিক) ৫৩১, নূর ইসলাম (ব্লাক বোর্ড প্রতিক) ৪১২ ভোট, আলতাফ হোসেন (ডালিম প্রতিক) ৩৪৭ ভোট, আবুল হোসেন (উট পাখি প্রতিক) ১৩৫ ভোট, বিপ্লব হোসেন মোল্যা (ব্রিজ প্রতিক) ৪১ ভোট পেয়েছেন। ২নং ওয়ার্ডে ৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে সর্বাধিক ১হাজার ২৩৮ ভোট পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন উটপাখি প্রতিকের মোস্তফা কামাল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পাঞ্জাবী প্রতিকের শেখ ওয়াদুদ পেয়েছেন ৭৮৪ ভোট। এছাড়া সিরাজুল ইসলাম (ডালিম প্রতিক) ৬৭৮ ভোট, নাসির উদ্দিন মোল্যা (ব্রিজ প্রতিক ) ১৮৬ ভোট, মোস্তফা কামাল (টেবিল ল্যাম্প প্রতিক) ৮৩ ভোট পেয়েছেন। ৩নং ওয়ার্ডে ২হাজার ১শ’ ৪১ ভোট পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন ডালিম প্রতিকের প্রার্থী তালিম হোসেন। ৩নং ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৬ জন কাউন্সিলর প্রার্থী। এর মধ্যে উটপাখি প্রতিকের রফিকুল ইসলাম মজুমদার পেয়েছেন ১৫৫৮ ভোট, জাকির হোসেন (পানির বোতল প্রতিক) ২শ’৪৮ ভোট, মফিজুর রহমান (ব্রিজ প্রতিক) ১শ’৬৩ ভোট, আব্দুর রউফ মোল্যা (পাঞ্জাবী প্রতিক) ৭৮ ভোট, মতিয়ার রহমান মজুমদার (টেবিল ল্যাম্প প্রতিক) ৬১ ভোট পেয়েছেন। উল্লেখ্য, এ ওয়ার্ডটিতে পাঞ্জাবী প্রতিকের আব্দুর রউফ মোল্যা ভোটের কয়েকদিন আগেই ডালিম প্রতিকের তালিম হোসেনকে সমর্থন দিয়ে বসে যাওয়ার ঘোষণা দেন। ৪নং ওয়ার্ডে ৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থী ভোটযুদ্ধে অংশ নেন। এর মধ্যে সর্বাধিক ১হাজার ৭শ’৩৩ ভোট পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন উটপাখি প্রতিকের আব্দুস সালাম শেখ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী টেবিল ল্যাম্প প্রতিকের আজিম শেখ পেয়েছেন ৯৫৮ ভোট। এছাড়া আলহাজ্ব আব্দুল মালেক হাওলাদার (পাঞ্জাবী প্রতিক) ৫৮৪ ভোট, জিয়া উদ্দিন পলাশ (পানির বোতল প্রতিক ) ৫৩২ ভোট, মেহেদি হাসান (ডালিম প্রতিক) ৮৫ ভোট পেয়েছেন। ৫নং ওয়ার্ডের ৪ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ২হাজার ৩২০ ভোট পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন মিজানুর রহমান মোল্যা। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী পাঞ্জাবী প্রতিকের আমির হোসেন গোলদার পেয়েছেন ১হাজার ৭৮০ ভোট। এছাড়া কাজী মশিয়ার রহমান (ডালিম প্রতিক) ৮৩১ ভোট, আক্তার উদ্দিন (টেবিল ল্যাম্প প্রতিক) ৭৬ ভোট পেয়েছেন। ৬ নং ওয়ার্ডে ৮ জন কাউন্সিলর প্রার্থী ভোটযুদ্ধে অংশ নেন। এর মধ্যে সর্বাধিক ১২২০ ভোট পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন ডালিম প্রতিকের জাহাঙ্গীর হোসেন বিশ্বাস। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উটপাখি প্রতিকের বায়েজিদ হোসেন পেয়েছেন ৬৭৫ ভোট। এছাড়া ইমরান সরোয়ার (পানির বোতল প্রতিক) ৩শ’২৮ ভোট, এম ছামাদ খান (পাঞ্জাবী প্রতিক) ১শ’ ৭৬ ভোট, মোকাররম শেখ (টেবিল ল্যাম্প প্রতিক) ৪৬ ভোট, মোস্তাক হোসেন (গাজর প্রতিক) ৪শ’৫৪ ভোট, লুৎফর রহমান বিশ্বাস (ব্রিজ প্রতিক ৫২৬ ভোট, সম্রাট হোসেন (ব্লাক বোর্ড প্রতিক) ১শ’৪৪ ভোট পেয়েছেন। পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্র্ডে ৯ জন কাউন্সিলর প্রার্থী ভোটযুদ্ধে মাঠে নামেন। এর মধ্যে সর্বাধিক ১হাজার ২৮৭ ভোট পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন উটপাখি প্রতিকের রেজাউল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পানির বোতল প্রতিকের মুন্সি মাজেদ পেয়েছেন ৫৩৯ ভোট। এছাড়া আকরাম হোসেন ফারাজী (গাজর প্রতিক ২৯৮ ভোট, জোবায়ের বিশ্বাস (ব্লাকবোর্ড প্রতিক) ৭১ ভোট, বুলবুল আহম্মেদ হান্নান (ব্রিজ প্রতিক) ২৩১ ভোট, মোজাফ্ফার হোসেন (ফাইল কেবিনেট প্রতিক ) ৬৩ ভোট, রিফাত হোসেন (পাঞ্জাবী প্রতিক) ৮৫ ভোট, সাগর গাজী (ডালিম প্রতিক) ২০ ভোট, সরদার মশিয়ার রহমান (টেবিল ল্যাম্প প্রতিক) ১১৯ ভোট পেয়েছেন। ৮ নং ওয়ার্ডে ১হাজার ৫৭৩ ভোট পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন উটপাখি প্রতিকের বিপুল শেখ। ওয়ার্ডটিতে পাঁচজন কাউন্সিলর প্রার্থী ভোটের যুদ্ধে অংশ নেয়। টেবিল ল্যাম্প প্রতিকের প্রার্থী আসাদ বিশ্বাস পেয়েছেন ১ হাজার ৩১ ভোট। এছাড়া আয়াতুল্লাহ খোমিনী ( পাঞ্জাবী প্রতিক) ১০৫ ভোট, মুজিবর রহমান (পানির বোতল প্রতিক) ৯৪৮ ভোট, রজিবুল ইসলাম (ডালিম প্রতিক) ৭ ভোট পেয়েছেন। সবশেষে পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে ভোট যুদ্ধে অংশ গ্রহন করে ৬ জন কাউন্সিলর প্রার্থী। এর মধ্যে সর্বাধিক ১হাজার ২শ’ ৪ ভোট পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন টেবিল ল্যাম্প প্রতিকের মিজানুর রহমান, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পাঞ্জাবী প্রতিকের সমশেদ আলম পেয়েছেন ৪শ’১৮ ভোট। এছাড়া এনামুল হক (উটপাখি প্রতিক) ২শ’২৮ ভোট, আব্দুল গফ্ফার তরফদার ( ডালিম প্রতিক) ৭৩ ভোট, খায়রুল সর্দার (গাজর প্রতিক) ৩ ভোট, শফিকুল ইসলাম (পানির বোতল প্রতিক) ১১ ভোট। উল্লেখ্য, এ ওয়ার্ডটিতে গাজর প্রতিকের খায়রুল সর্দার টেবিল ল্যাম্প প্রতিকের মিজানুর রহমানকে সমর্থন ঘোষণা করেছিলেন বলে জানাগেছে। সংরক্ষিত আসন -১ (পৌরসভার ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ড) এ আসনে চারজন নারী কাউন্সিলর প্রার্থী ভোট যুদ্ধে অংশ নেন। এর মধ্যে সর্বাধিক ৪ হাজার ৫ শ’ ৬৬ ভোট পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন দ্বিতল বাস প্রতিকের রোকেয়া বেগম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চশমা প্রতিকের আসমা বেগম পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৩ ভোট। এছাড়া রতœা বেগম (জবা ফুল প্রতিক) ২ হাজার ৪শ’ ৫০ ভোট, শামছুন্নাহার (আনারস প্রতিক) ৬ শ’৫৪ ভোট পেয়েছেন। সংরক্ষিত আসন-২ ( পৌরসভার ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড) এ ওয়ার্ডটিতেও চারজন নারী কাউন্সিলর প্রার্থী ভোটে অংশ নেন। এর মধ্যে সর্বাধিক ৫ হাজার ১শ’ ৫৮ ভোট পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন আনারস প্রতিকের শিরিনা বেগম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জবাফুল প্রতিকের সুলতানা আরেফা মিতা পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৭ ভোট। এছাড়া তহমিনা বেগম (চশমা প্রতিক) ২ হাজার ৫শ’ ৯৭ ভোট এবং রুক্সি (টেলিফোন প্রতিক) ৫ শ’ ৯৬ ভোট পেয়েছেন। সংরক্ষিত আসন- ৩ (পৌরসভার ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড) ওয়ার্ডটিতে ত জন নারী কাউন্সিলর প্রার্থী ভোট যুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন। এর মধ্যে সর্বাধিক ৩ হাজার ৫ শ’ ১৭ ভোট পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন চশমা প্রতিকের রাশেদা বেগম লিপি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতিকের জাহানারা বেগম পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৩ ভোট। এছাড়া অপর প্রার্থী জবাফুল প্রতিকের লাবনী আক্তার পেয়েছেন ১৭শ’ ২৫ ভোট।